অটো রিক্সা উপহার দিলেন মরহুম আব্দুর রাজ্জাক চেয়ারম্যানের ৩ পুত্র



শাহ্ জামাল, ভেড়ামারা

ভেড়ামারায় এক অসহায় মানুষকে একটা অটো রিক্সা উপহার দিলেন মরহুম আব্দুর রাজ্জাক চেয়ারম্যানের সুযোগ্য ৩ পুত্র বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন, আলহাজ্ব রুবেল মাহমুদ রতন এবং ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বুলবুল হাসান বিপুল। গতকাল শনিবার রাতে তারা ওই ব্যাক্তির হাতে অটো রিক্সার চাবি তুলে দিয়েছেন। অটো রিক্সা পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তিনি অসহায় ওই মানুষ এবং তার পরিবার। অসহায় পঙ্গু ওই ব্যাক্তির নাম আতিকুর রহমান আতিক। ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ঠাকুর দৌলতপুর গ্রামে তার বসবাস। ক্যান্সার জনিত রোগের কারণে সম্প্রতি তার এক পা কেটে ফেলতে হয়। ফলে পরিবারের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। মানবেতর জীবন কাটাতে হয় পরিবার নিয়ে। আতিকের চোখের সামনে যখন ঘোর অন্ধকার, তখন আলোকবর্তিকা হয়ে হাজির হয়েছেন ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুর রাজ্জাকের সুযোগ্য ৩ পুত্র বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন, বিজেএম ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, দানবীর আলহাজ্ব রুবেল মাহমুদ রতন এবং ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বুলবুল হাসান বিপুল। গতকাল শনিবার রাতে কুচিয়ামোড়া বিজেএম স্যাটেলাইট ক্যাবল নেটওয়ার্ক’র অফিসের সামনে অসহায় অতিকুর রহমান আতিকের হাতে নতুন একটা অটো রিক্সার চাবি তুলে দেন তারা ৩ ভাই। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডাক্তার মোঃ হাফিজুর রহমান, রাকিবুল ইসলাম রানা সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। চাবি এবং নতুন অটো রিক্সা পেয়ে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন অসহায় পঙ্গু আতিক। তার চোখে এখন বেঁচে থাকার নতুন স্বপ্ন। আতিক জানান, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পা যখন কেটে ফেলা হলো, তখন জীবনটা অর্থহীন মনে হয়েছে। চিকিৎসায় শেষ সম্বলো বিক্রি করে সে নিঃস্ব হয়ে যায়। পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকায় দায় হয়ে পড়ে। পরিবার পরিজন নিয়ে কি করবো, বেঁচে থাকবো না সবাই মিলে আত্মহত্যা করবো এমন ভাবনার মাঝে আলোকবার্তিকা হয়ে আমার জীবনে আলো দান করেছেন পবন ভাই, রুবেল ভাই আর পিপুল ভাই। তারা একটা নতুন অটো রিক্সা আমাকে উপহার দেয়। এটাই হবে আমার জীবনের বেঁচে থাকার অবলম্বন। আল্লাহ যেন তাদের মঙ্গল করেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *