আজকের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ না হলে ব্যবস্থা


admin প্রকাশের সময় : মে ২৯, ২০২২, ৫:৩৮ পূর্বাহ্ন /
আজকের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ না হলে ব্যবস্থা

এনএনবি : সারাদেশের সব ‘অবৈধ’হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই সময় শেষ হচ্ছে আজ রোববার (২৯ মে)।
এর মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক মধ্যে বন্ধ না হলে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
শনিবার (২৮ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
ডা. বেলাল হোসেন বলেন, দেশের অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে নিয়মিত আমাদের অভিযান চলছে। বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হলে আমরা দেখবো নিবন্ধনের কতটা অগ্রগতি হয়েছে, অবৈধ কতগুলো ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হয়েছে। এরপর সে অনুযায়ী-বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তাদের সঙ্গে বসে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবো।
কতগুলো অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রোববার পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশে কতগুলো অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই। নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে, সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি যে, এতগুলো আবেদন এসেছে, এতগুলো লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, এতগুলো ওয়েটিংয়ে আছে। তবে, যারা আবেদন করেনি, তাদের তথ্য আমরা জানবো কী করে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আহমেদুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
১. আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহ বন্ধ করতে হবে। অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহের বিরুদ্ধে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। ২. যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন গ্রহণ করেছেন কিন্তু নবায়ন করেননি তাদের নিবন্ধন নবায়নের জন্য একটি সময়সীমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নবায়ন গ্রহণ না করলে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
৩. বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহে অপারেশন করার সময় এনেস্থিসিয়া প্রদান ও ওটি এসিস্ট করার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত চিকিৎসক ছাড়া অন্যদের রাখা হলে সেসব প্রতিষ্ঠান ও জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছেন তাদের লাইসেন্স প্রদানের কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। লাইসেন্স প্রাপ্তির আগে এসব প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাতে পারবে না।