কুষ্টিয়ায় লকডাউনে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, তৃতীয় দিন চলছে



নিজস্ব প্রতিনিধি

সংক্রমণ প্রতিরোধে কুষ্টিয়ায় চলছে লকডাউন। গতকাল মঙ্গলবার ঘোষিত লকডাউেেনর দ্বিতীয় দিন ছিল। কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) মান্য করতে দ্বিতীয় দিনে আরো সোচ্চার প্রশাসন। সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা ও গণমাধ্যমকর্মীরাও মাঠ দাপিয়েছে। দোকানপাট ও কলকারখানা সিলগালা, ইজিবাইক জব্দ ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুমারখালী উপজেলার সবচেয়ে বড় পৌরবাজার, স্টেশন বাজার, হালবাজার, গণমোড়, বাসস্ট্যান্ড, তরুনমোড়, কাজীপাড়া, যদুবয়রা, আলাউদ্দিন নগর সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরেঘুরে দেখা যায়, বিধিনিষেধ অমান্য করে খুলে যায় চায়ের দোকান, কলকারখানা, বস্ত্রালয় সহ সবকিছু। ঘরের বাহিরে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। ইজিবাইক, সিএনজি, অটোভ্যান, অটোরিক্সা, সেলোইঞ্জিত চালিত যানবহন গুলোও ছিল বিভিন্ন সড়কে। এছাড়াও দ্বিতীয় দিনের মাঠে প্রশাসনের উপস্থিতি ও ভূমিকা ছিল আরো কঠোর ও চোখে পড়ার মত। সকাল ১১ টায় পৌর কাঁচাবাজারে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের মুখে ছিলোনা মাস্ক। ক্রেতাদের অবস্থাও লাজুক। মানা হচ্ছেনা নির্দেশনা। কুমারখালীর কাপুড়ের হাট চলেছে লকডাউনে। এবিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, লকডাউন বাধ্য করতে মাঠে সবর পুলিশ। নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। লকডাউনে নিষিদ্ধ যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামান্না তাসনীম বলেন, লকডাউন প্রতিপালনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ মামলা ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, কঠোর লকডাউন প্রতিপালনে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে। দ্বিতীয় দিনেও কিছু অসচেতন ব্যক্তি নির্দেশনা অমান্য করার পায়তারা করেছে। অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালতে ৯ মামলায় ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তিনি আরো বলেন, বিধিনিষেধ অমান্য করায় বেশকিছু দোকান সিলগালা ও ইজিবাইক জব্দ করা হয়। এদিকে কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেও উপজেলায় সংক্রমণ বাড়ছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *