গ্রীষ্মকালীন শষা চাষে লাভের মুখ দেখেছেন কৃষকরা



ইজাবুল হক

এবছর গ্রীষ্মকালীন রসালো সবজি শষার চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী গ্রামের কৃষকরা। জানা যায়, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ীতে সবজির তেমন একটি চষ হয়না বললেই চলে। এই এলাকার কৃষকেরা সাধারনত ধান চাষের উপর নির্ভরশীল। তবে বেশ ক’বছর ধরে পাটিকাবাড়ীর পূর্ব মাঠে স্বল্প পরিসরে শষার চাষ হচ্ছে বলে লক্ষ্য করা যায়। তবে চাহিদার তুলনায় খুবই কম। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শষার বীজ শীতকালে বপণ করে থাকেন। ফল আসতে শুরু করে গ্রীষ্মকালে। চৈত্র বৈশাখে প্রচন্ড গরমে রসাল সবজি শষার চাহিদাও থাকে বেশ ভালো। এবছর প্রচন্ড দাপদাহের সাথে রমজান শুরু হওয়ায় রসালো সবজি শষার চাহিদাও বেড়ে গেছে বহুগুণ। বাজার দরও খুব ভালো পেয়েছেন শষা চাষীরা। চাহিদার তুলনায় মাঠপর্যায়ে স্বল্প মেয়াদি ফসল শশার চাষ তেমন একটা সম্প্রসারন না হওয়ায় ইচ্ছে থাকা সত্তেও নি¤œ আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার অনেকটাই বাহিরে রয়েছে শষা। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী বাজারে শশা বিক্রি করতে দেখা যায় ৪৫-৫০/= টাকা কেজি। ঠিক আগামি বছরের এই সময়েও শশার চাহিদা রয়ে যাবে ভোক্তাদের নিকট বলে এমনটাই জানিয়েছেন শষা চাষীরা। পাটিকাবাড়ী গ্রামের শশা চাষী ইউসুফ আলী বলেন, এবছর আমি ১০ কাঠা জমিতে শশার চাষ করেছিলাম। ১০ কাঠা জমি থেকে শষা বিক্রি করেছি ৪০ হাজার টাকার মত। আমার খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকার মত। শষা চাষী আমিরুল মন্ডল বলেন, আমার ১২ কাঠা জমিতে শষার চাষ করতে খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকার মত। শষা বিক্রি করেছি ৬০ হাজার টাকার মত। কৃষক রানা মন্ডল বলেন, ধান চাষের পাশাপাশি আমি এবছর ১০ কাঠা জমিতে শষার চাষ করে খরচ বাদে ৩০ হাজার টাকার মত লাভ হয়েছে। শষার চাহিদা ও বাজার দর ভালো হওয়ায় মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগামি বছর এই স্বল্প মেয়াদি সবজি শষার চাষ বাড়বে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *