ছাদ কৃষিতেও স্বল্পমেয়াদী খরমুজ চাষ হতে পারে



ইজাবুল হক

খরমুজ হচ্ছে তরমুজ গোত্রের সবুজ লতাজাতীয় গাছের ফল। চুয়াডাঙ্গা জেলায় বেশ কবছর ধরেই কৃষকেরা গ্রীষ্মকালীন এই লতাজাতীয় রসালো ফলের চাষ করে আসছেন। এই অঞ্চলের আবহাওয়া ও জলবায়ুর সাথে বেশ খাপখায়ে নিয়েছে নতুন সম্ভাবনাময় খরমুজ। কৃষকদের কাছে খরমুজের দু’টি জাত বেশ জনপ্রিয়। জাত দু’টি হলো সাগর কিং ও ব্লাক বেবী। সাগর কিং দেখতে লম্বা গায়ের রং কালচে ভেতরটা হাল্কা লাল রঙের আর আর ব্লাক বেবী দেখতে গোলাকার গায়ের রং কালো ভেতরটার রং সাগর কিংকের চেয়ে লাল হয়ে থাকে খেতেও একটু বেশি সু-স্বাদু। খরমুজ স্বল্পমেয়াদী একটি লতাজাতীয় ফল। খরমুজের বীজ বপণ হতে পরিপক্কতা পেতে সময় লাগে ৬০-৭০ দিন। বীজ হতে চারা অঙ্কুরিত হয়ে ৪-৫ ফিট লম্বা সুস্থ্যসবল গাছে ফল ধরতে শুরু করে। চারা তৈরির পদ্ধতি: বীজ ১০-১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ১২ ঘন্টা পরে পানি থেকে তুলে শুকনা কাপড় ভিজিয়ে চিপে পানি ঝরিয়ে সেই কাপড়ের মধ্যে প্রথমে বীজগুলো মুড়িয়ে পরে মোটা চটের মধ্যে মুড়িয়ে বীজ অঙ্কুরিত করে নিতে হবে। এক কথায় উষ্ণতা দিয়ে বীজ অঙ্কুরিত করে নিতে হবে। অঙ্কুরিত বীজ পলিপ্যাক দিয়ে চারা তৈরি করে নিতে হবে। পলিপ্যাকে যখন চার থেকে পাঁচ পাতা হবে তখন টবে সেই চারা রোপণ করে দিতে হবে। টবের মাটি তৈরি করে নিতে হবে যখন বীজ পানিতে ভেজানো হবে। টবের মাটি প্রস্তুত খুব সহজ। মাটি বেলে দোআশ হলে ভাল হয়।
টবের তিন ভাগের এক ভাগ পঁচা গোবরের সার দুই ভাগ মাটির সাথে
২৫০ গ্রাম টিএসপি,
২৫০ গ্রাম এমওপি,
২৫০ গ্রাম জিপসাম,
২০০ গ্রাম ইউরিয়া,
৫০ গ্রাম বোরিক পাউডার ভালোভাবে মিশিয়ে একটি অর্ধ ড্রাম ভর্তি করে চার থেকে ছয়টা খরমুজের চারা রোপণ করা যেতে পারে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *