ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতায় আশ্রয়ণ প্রকল্প


প্রধানমন্ত্রীর উপহারের চরসাদীপুর গুচ্ছ গ্রাম

চরসাদীপুর প্রতিনিধি

“মুজিব শতবর্ষ” উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় দেশনেত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চরসাদীপুর ইউনিয়নের ঘোষপুর ৩নং ওয়ার্ডে নির্মান করা হয়েছে গুচ্ছ গ্রাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে নির্মানকৃত গৃহ হস্তান্তর করেন কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাজীবুল ইসলাম খান। উপজেলার আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীনদের জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসযোগ্য গৃহনির্মান কাজ ইতিমধ্যে শেষ করে গত বৃহস্পতিবার(১৭ জুন) নির্ধারিত ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করেন। কিন্তু উদ্বোধনের দুইদিন পরেই গতকাল শনিবার টানা বর্ষনের কারণে সকালে আশ্রায়ন প্রকল্প গুচ্ছ গ্রামে গিয়ে দেখা যায় ২৫ টি ঘরের মধ্যে প্রায় ১৫ টি ঘরেই জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আশ্রায় প্রকল্পের বাসিন্দা মুকুল মন্ডল জানান,আমি পেশায় একজন হকার। আমার ঘর বাড়ি জমাজমি কিছুই ছিলো না। আমি যেখানে ব্যবসা করতাম সেখানই থাকতাম। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার পেয়ে নিজস্ব একটা ঠিকানা হয়েছে। এখন যেখানেই থাকি না কেন দিন শেষে এখানে এসে শান্তিতে থাকতে পারি। কিন্তু রাতভর টানা বৃষ্টিতে আমার ঘরের মধ্যে পানি জমে গেছে। সারারাত ঘুমাতে পারিনি। এমনকি সারা দিনেই বৃৃষ্টির কারণে অনেক পানি থাকায় ঘরের মধ্যে যেতেও পারছি না। মোছাঃ হালিমা খাতুন নামে এক বিধবা বলেন, আমি বিধবা মানুষ। আমার একটি ছেলে সন্তান আছে। কিন্তু ওর মাথায় সমস্যা। আমি প্রায় ২০ বছর ছেলেকে সাথে নিয়ে আমার বাপের বাড়িতে থাকি। অনেক কষ্ট করে চলতে হয় আমার। সন্তানকে সাথে নিয়ে আমি মানুষের বাসায় কাজ করে জীবন যাপন করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে অনেক খুশি ছিলাম। কিন্তু আজ আমাদের ঘরের মধ্যে বৃষ্টির পানি যাওয়ায় অনেক কষ্টে আছি। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন মানিক বলেন, এই দায়িত্বে আমি ছিলাম না। দায়িত্বে ছিলেন প্রকল্প কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম। আপনারা তার সাথে কথা বলেন। প্রকল্প কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের এই বিষয়ে অবগত করা হয়ছে। এমন কি আমাদের প্রতিনিধি গিয়ে দেখে আসছে সেখানে বালি মাটি বেশি দেওয়ার কারণে এমনটি হয়ছে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা এই সমস্যার সমাধান করে দিব।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *