দৌলতপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১৩ জনের অর্থদন্ড



দৌলতপুর প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে লকডাউন চলাকালে সরকারী নির্দেশনা না মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা ও করোনা স্বাস্থ্য বিধি না মেনে মাস্ক বিহীন চলা ফেরার দায়ে দু’দিনে ১৩ জনকে ১০ হাজার ৭০০ টাকা অর্থদন্ড করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে এক ব্যবসায়ী সহ ৮ জনের ৮ হাজার ২০০ টাকা অর্থদন্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শারমিন আক্তার। এছাড়াও বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে ৫ জন ব্যবসায়ী ও পথচারীকে ২ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদন্ড করেন একই ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শারমিন আক্তার। ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, লকডাউন চলাকালে গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার তারাগুনিয়া থানামোড়, হোসেনাবাদ বাজার, মথুরাপুর ও ডাংমড়কা বাজারে পৃথক অভিযান চালিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা ও করোনা স্বাস্থ্য বিধি না মানার দায়ে ১৮৬০ সালের দ: বি: ২৬৯ ধারায় (সংক্রমক রোগ প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রন ও নির্মূল আইন) ৭ জনকে ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় ১ জন ব্যবসায়ীকে ৭০০ টাকা অর্থদন্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার। এছাড়াও বুধবার তারাগুনিয়া বাজার, আল্লারদর্গা বাজার ও হোসেনাবাদ বাজারের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা ও করোনা স্বাস্থ্য বিধি না মানার দায়ে ১৮৬০ সালের দ: বি: ২৬৯ ধারায় (সংক্রমক রোগ প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রন ও নির্মূল আইন) ৫জন ব্যবসায়ী ও পথচারীকে ২ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদন্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার বলেন, লকডাউন চলাকালে সরকারী নির্দেশনা না মানায় পৃথক মামলায় অর্থদন্ড করা হয়েছে। করোনা সংক্রমন রোধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *