দৌলতপুর সোনালী ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকে গ্রাহক সেবায় হয়রানীর অভিযোগ



বিশেষ প্রতিনিধি

দেশজুড়ে কঠোর লকডাউন, সামাজিক দুরত্ব ও নির্দিষ্ট শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে সকল গুরুত্বপূর্ন কার্যক্রম পরিচালনার কথা থাকলেও দৌলতপুর সোনালী ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে যেন নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন। ঈদ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাংকিং কাজে আসা শত শত সাধারণ মানুষ দেদারছে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। আর এসব কিছু দেখেও যেন না দেখার ভান করছেন কর্তৃপক্ষ। আর এসব কাজে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে আতাত করে কতিপয় দালাল এসব গ্রাহকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করে নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে থাকেন বলে একাধিক অভিযোগে জানা গেছে। উপজেলা পরিষদের মেইন গেটে সোনালী ব্যাংকের কার্যক্রম। অথচ প্রতি ঈদ উপলক্ষে শত শত লোকের সামনে থেকে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা,বিধাব ভাতা বা চাকুরী অবসরকালীন পেনশন উত্তোলনের সময় এই সব দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেক গ্রাহক তাদের সর্বস্ব হারিয়েছেন। যে কারণে সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে টাকা তুলতে এসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় ব্যাংক দুটিতে গিয়ে এসব অব্যস্থাপনার চিত্র চোখে পড়ে। ব্যাংক দুটিতে পর্যাপ্ত যায়গা থাকা সত্বেও কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা কারণে শতশত গ্রাহক গাদাগাদি করে তাদের ব্যাংকিং কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যাংক দুটিতে নুন্যতম কোন সামাজিক দুরত্ব বা নির্দিষ্ট শারীরিক দুরত্ব না থাকায় এমনকি হ্যান্ড সানিটাইজারের কোন ব্যবস্থা না থাকায় এ উপজেলার সাধারণ মানুষ আরো করোনা ঝুকিতে পড়বে বলে ভূক্তভোগিদের অভিমত। উল্লেখ্য ইতিপূর্বে এই ব্যাংক দুটিতেই একাধিক ষ্টাফ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি এই অগ্রণী ব্যাংকটিকে ১৪দিনের জন্য লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছিল। এব্যাপারে দৌলতপুর অগ্রণী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক সেলিম তোহাকে তার মুঠোফোনে বারবার ফোন দিলেও সে ফোন রিসিপ করেন নাই। এ ব্যাপারে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ^াস দেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *