পৌর কাঁচাবাজারে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি




কুমারখালী প্রতিনিধি

সারাদেশের ন্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে চলছে সাতদিনের কঠোর লকডাউন। বিধিনিষেধে বলা হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাঁচাবাজার সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। কিন্তু বিধিনিষেধ তোয়াক্কা না করেই চলছে কুমারখালী পৌর কাঁচাবাজার। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২ টা ১০ মিনিটে পৌর কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা সঠিক নিয়মে মাস্ক পড়েননি। অনেকের মুখেই ছিলোনা মাস্ক। মানা হচ্ছেনা সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। অপরদিকে ব্যবসায়ীক নেতারা বলছেন, করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবুও কেন ব্যবসায়ীরা মানছে না, তা ক্ষতিয়ে দেখা হবে। মাস্ক কেন পড়েন না বা কেন সঠিক নিয়মে মাস্ক পড়েন না? একাধিক ব্যবসায়ীকে এমন প্রশ্ন করা হলেও কোন উত্তর দেননি তারা। এবিষয়ে কাঁচাবাজারে আসা ক্রেতা কলেজ ছাত্র সাব্বির বলেন, কাঁচাবাজারে আসা খুব ঝুঁকি। এরা নিয়মনীতি মানেনা। মাস্ক পড়েনা। স্বাস্থ্যবিধি মানেনা। অথচ পৌর এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেশি। কুমারখালী পৌর কাঁচাবাজারের সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত বাজারে ছিলাম। তখন ব্যবসায়ীদের মাস্ক ছিল। পরে কি হয়েছে জানিনা। তিনি আরো বলেন, ব্যবসায়ীদের সব সময় নির্দেশনা মানার কথা বলা হচ্ছে। তবুও কেন মানছেনা। তা কাল ( আজ শনিবার) ক্ষতিয়ে দেখা হবে। উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, পৌর কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ীরা মাস্ক ব্যবহারে উদাসীন। বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে বসা হবে। তিনি আরো বলেন, বৃষ্টির কারনে আজ বাজারে যাওয়া হয়নি। এদিকে চলমান কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও সকাল থেকে বৃষ্টি। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই লকডাউন বাস্তবায়নে কুমারখালী থানা পুলিশ কাজ করছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১ টায় কুমারখালী স্টেশন বাজার এলাকায় থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযানে দেখা যায়। পৌরসভার গণমোড় এলাকায়ও দেখা মেলে পুলিশের। এবিষয়ে কুমারখালী থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, সকাল থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাজ করছে পুলিশ। অসুস্থতা, ঔষুধ ও নিত্যদ্রব্য কেনার অযুহাতে মানুষ বাহিরে আসছে। আমরা অপ্রয়োজনীয় বাহিরে আসা রোধ করতে সক্ষম হয়েছি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *