শিক্ষার্থীশূন্য ক্যাম্পাসে চাকরী স্থায়ীকরনের দাবি !



ইবি প্রতিনিধি

করোনায় শিক্ষার্থীশূন্য ক্যাম্পাসের চাকরী স্থায়ীকরনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দৈনিক মুজুরী ভিত্তিক কর্মচারীরা। গতকাল বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এ আন্দোলন। এসময় ক্যাম্পাসের প্রশাসন ভবন চত্বর, ডায়না চত্বর আমতলা সহ বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়ে তাদের দাবির কথা তুলে ধরে। আন্দোলনকারীরা জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা স্থাযীকরণের বিষয়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে দাবি জানিয়ে আসছি। বিভিন্নজন আমাদের এ পর্যন্ত আশ্বাস দিয়েই যাচ্ছে কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমাদের এ অবস্থানে আসতে হয়েছে। আন্দোলনের এক পর্যায়ে তারা বিভিন্ন দপ্তরের ফাইল আটকে প্রশাসনিক কাজে বাঁধা দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এসময় কুষ্টিয়া জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আজমল হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের কোনো ধরনের বিশৃংখলা না করে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি আদায়ের আহবান জানান। এদিকে আন্দোলনকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য প্রাথমিকভাবে সাত সদস্যের একটি কমিকি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেনকে আহবায়ক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আতাউর রহমানকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন ও বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা চাকরি স্থায়ীকরণরে দাবি করে আসছে তারা আমাদের তালিকাভূক্ত কর্মচারী নয়। তারা দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করে, তাই কাজ থাকলে তাদেরকে নেওয়া হবে এবং মজুরী দেওয়া হবে অন্যথায় নয় এটাই নিয়ম। তারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করতে পারেন কীভাবে? তবুও বিভিন্ন বিভাগে কতসংখ্যক পদ শূণ্য আছে এবং লোক লাগবে কীনা এসব বিষয় খোঁজ নেওয়া জন্য একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *