শিপন হত্যা মামলার প্রধান আসামী পান্টি ইউনিয়ন আ.লীগ সাধারণ সম্পাদক সুমন



কুমারখালী প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে শিপন (৩৫)কে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে ওই আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলা নং ৩৩। আলতাফ পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি।

মামলার এজাহারে পান্টি ইউনিয়ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান সুমনসহ ৩১ জনকে আসামী করা হয়। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আসামী রয়েছে আরো ১০ থেকে ১৫ জন।

মামলার বাদী আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ হোসেন জানায়, আধিপত্য বিস্তারে পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান সুমনের নেতৃত্বে তার সমর্থকরা গোদের বাজার থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে কবিরের বাড়ির সামনের রাস্তায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুকের উপর কোপ মারে। এতে শিপন গুরুতর আহত হলে আসামীরা পালিয়ে যায়। পরে শিপনকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।

তিনি আরো বলেন, থানায় মামলা করেছি। আইনের কাছে ন্যায় ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, দু’পক্ষের আধিপত্য বিস্তারে শিপন খুন হন। নিহতের বাবা থানায় মামলা করেছেন। আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহতের পরিবার,এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারে দীর্ঘদিন ধরে কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন জাফর সমর্থিত মাসুদ হোসেন মোল্লা গ্রুপের সাথে পান্টি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান সুমন গ্রুপের এলাকায় বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জেরেই শনিবার (২২ মে) রাতে মাসুদ হোসেন মোল্লা গ্রুপের শিপনকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে খুন করে প্রতিপক্ষরা। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে রোববার (২৩ মে) সকালে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান এবং রোববার বিকেল ৩ টায় পিতম্বরবশী কবরস্থানে জানাযা শেষে লাশ দাফন করেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *