সাবেক কাউন্সিলর লাভলুর বিরুদ্ধে সরকারি ইট বিক্রয়ের অভিযোগ



নিজন্ব প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম মোস্তফা লাভলুর বিরুদ্ধে তার নিজ বাসভবনে সরকারি কাজের ইট অবৈধভাবে রাখার অভিযোগ উঠেছে। সেই ইট বিক্রয়ের সময় এলাকাবাসী বাঁধা দেয়। পরে মিলপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সেই ইট ক্রেতার কাছ থেকে ইট ফেরত নেয। জানা যায়, লাভলু কাউন্সিলর থাকাকালীন সময়ে মিলপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনের বাঁক চওড়া করতে এডিসি জেনারেল বাসভবনের প্রাচীর ভেঙে নতুন প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। সেই সময় এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিল গোলাম মোন্তফা লাভলু। সে তখন ওখানকার পুরনো ইট নিয়ে যায়। সেই ইট এখন অধিক মূল্যে বিক্রি করছে। কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার মিরপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রী মহন জানান, আমি কুষ্টিয়া শহরের ভাটাপাড়া এলাকার আতির কাছ থেকে ৩৫০ টা ইট ক্রয় করেছি। ৫ হাজার টাকা করে দাম নিয়েছে। আতি এই ইট লাভলু কাউন্সিলর এর কাছ থেকে ক্রয় করেছেন। এই ইটের বিষয়ে গোলাম মোন্তফা লাভলুর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন হকারদের কাছ থেকে এই ইট ক্রয় করেছি। সব খরচ দিয়ে এই ইট ৩ হাজার ৫’শ টাকা পরেছে। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়। এবিষয়ে বর্তমান কাউন্সিলর কিশোর কুমার ঘোষ জগত জানান, আমি খবর পেলাম কে বা কারা সরকারি ইট পাচার করছে। এমন খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে আসলাম। এসে যেটুকু শুনেছি সেটা হচ্ছে, সাবেক কাউন্সিলর লাভলু সিডিসির কাজের ইট ও এডিসি জেনারেল এর বাসভবনের প্রাচীরের ইট গোপনে বিক্রয় করেছে। মিলপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির টুআইসি শাহীন বলেন, এলাকার সচেতন কিছু লোক আমাকে ফোন দিয়ে জানান ইট পাচারের কথা। আমি ঘটনাস্থলে এসে এই বিষয়ে সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ইট বিক্রয় করতে নিষেধ করেছি। কুষ্টিয়া সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম.এ. মুহাইমিন আল জিহান বলেন, আমি শুনেছি। সেখানে আমার প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলাম। এই ইট ওই জায়গা থেকে সড়াতে নিষেধ করেছি। পরবর্তীতে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *