হরিপুরে পারিবারিক দ্বন্দের জেরে মহিলা আহত



নিজস্ব প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হাটশ হরিপুর গ্রামে চম্পা (৪৫) নামে এক মহিলাকে মাথায় আঘাত করেছে ছেলের শশুড় বাড়ির লোকজন। চম্পার ছেলে চঞ্চল মন্ডল’কে ৫ বছর আগে একই এলাকার তোফা মন্ডলের মেয়ে বিনার সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের পর একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে,যার নাম বর্শন বয়স অনুমান ১ বছর ৬ মাস,ঐ বৃদ্ধা চম্পার ছেলে চঞ্চল প্রতিবেদক’কে জানায় গত ০৭/০৫/২০২১ ইং তারিখে আমার শশুর আমার মায়ের সাথে ঝগড়া করিয়া আমার স্ত্রী বিনা খাতুন ও আমার পুত্র’কে আমার শশুর তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে গতকাল ১৯/০৫/২০২১ ইং তারিখে সকালে আমি আমার শশুর বাড়িতে আমার স্ত্রী সন্তান’কে নিয়ে আসতে গেলে আমার শশুর আমার সাথে বাজে ভাষায় গালা গালি ও খুন জকমের হুমকি দেয় এবং আমার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। আমি তালাক দিতে অস্বীকার করিয়া বাড়িতে চলে আসিলে, আমার শশুর তোফা মন্ডল, আমার শালা হৃদয় মন্ডল ও দাদা শশুর মেলন মন্ডল রাগান্বিত হয়ে এক সঙ্গে আমার বাড়িতে এসে অনেক গালমন্দ করতে শুরু করে, পরে আমার মা শশুর বাড়ির লোকজনদের গালমন্দ করতে নিষেধ করলে, আমার দাদা শশুর মেলন মন্ডল আমার শশুর তোফা মন্ডল ও আমার শালা হৃদয় মন্ডলকে হকুম দিয়ে বলে ঐ শালীকে খুন করে ফেলো। উক্ত হুকুম পাওয়া মাত্র আমার শশুর আমার মা কে তার হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে মাথায় হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। সাথে সাথে আমার মা চিৎকার দিয়ে মাটিতে পড়িয়া যায়। তখন আমার মা’কে ঠেকাতে গেলে আমার শালা হৃদয় তার হাতে থাকা বাঁশ দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার পিছনে আঘাত করে। এবং আমার দাদা শশুর আমাকে হত্যা করার জন্য আমাকে গলা টিপে ধরে শ^াসরোধ করিয়া ধরে। এবং তখন আমার শালা আমার অটো গাড়ি নিয়ে চলে যায়। তখন আমার চিৎকারে আশপাশের মানুষ আমাকে ও আমার মা’কে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। আমার মায়ের মাথায় ১০ টা সেলাই করা হয়েছে ও আমি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছি। আমার মা এখন কুষ্টিয়া ২৫০ শয্য বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১০ নং ওয়ার্ডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত কবিরের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত শেষে বিষয়টি আমলে আনা হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *